Homeসাধারণ জ্ঞান General Knowledgeজেনে নিন বাংলাদেশের সাড়া জাগানো শিশু প্রোগামার ওয়াসিকের জীবনী

Posted by , September 18, 2019

Posted Under: সাধারণ জ্ঞান General Knowledge, 99 Views

সবাই টাইটেল পরে অবিশ্বাস ও করতে পারেন।কিন্তু পোস্টটি সম্পন্ন পরলে বুঝতে পারবে। তাই সবাই পোস্টটি ধয্য ধরে পরুন আর জেনে নিন ওয়াসিক ফারহানের অবিশ্বাস্য ঘটনা।

গত ৫ বছরে ওয়াসিক ফারহান রূপকথা নামে এক বিস্ময়বালকের কথা খুব শোনা যাচ্ছে । এই ছেলে খুব কম বয়সেই কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এ দক্ষতা অর্জন করেছে বলে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর এসেছে ।২০১২ সালে প্রিন্ট হওয়া একটি জনপ্রিয় নিজপেপার থেকে এখানে আমি কোট করছি
“ জন্মগতভাবে মেধাবী রূপকথার বাসা রাজধানী ঢাকার গুলশান এলাকায়। অবিশ্বাস্যভাবে মাত্র সাত মাস বয়স থেকেই সে কম্পিউটার নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু করে এবং মাত্র দুই বছর বয়সে সে কম্পিউটারে লেখালেখি করা শিখে ফেলে। তার গর্বিত মা সিন্থিয়া ফারহিন রিসা একথা জানান।
তিনি বলেন, “এই বিস্ময় বালক প্রতিদিন ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় কম্পিউটারের পেছনে ব্যয় করে এবং গেম-এর কারেক্টর কিভাবে পরিবর্তিত হয় তা জানার চেষ্টা করে।” কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ (সি এন্ড সি++)-এর ওপর তার চমৎকার কমান্ড রয়েছে বলে তিনি জানান।
প্রথম দিকে তার বাবা-মা তাকে কম্পিউটারে গেম খেলা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন। তারা মনে করতেন বেশি সময় কম্পিউটারের সামনে থাকলে তার চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
রিসা বলেন, “একথা বলায় সে ভাঙচুর, হৈ-হুল্লোড় করে এবং খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয়। অবশেষে আমরা তাকে কম্পিউটারে খেলার অনুমতি দিতে বাধ্য হই। এখন সে প্রতিদিন ১২/১৩ ঘণ্টা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত থাকে।”
তিনি জানান, জন্মের পর থেকেই কম্পিউটারের প্রতি তার সন্তানের আগ্রহ শুরু হয়। কম্পিউটারের মনিটরের দিকে সে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত কম্পিউটারের সুইচ অন না করা পর্যন্ত সে খেতে চাইত না।
তিনি বলেন, “রূপকথা কখনও আইটি’র ওপর কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেনি এবং কারো কোন সাহায্য ছাড়াই সে সবকিছু শিখেছে।”
তার মা জানান, সে ইতোমধ্যেই সাত শতাধিক গেম খেলেছে এবং অনেক জটিল গেমও খেলতে সক্ষম হয়েছে।
বিভিন্ন ইমিউলেটর ব্যবহার করে সে সফটওয়্যার ডেভেলপ করতে পারে। সে অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দিতে পারে এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি সারতে পারে। পাঁচ সহস্রাধিক ইংলিশ ওয়ার্ড সে জানে এবং তা দিয়ে সে বাক্য রচনা করতে পারে।
টাইপ করা তার জন্য একটি সাধারণ ব্যাপার। কিবোর্ড না দেখে সে দক্ষ টাইপিস্টের টাইপ করতে পারে।
রূপকথা ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারে এবং কারো সাহায্য ছাড়াই ই-মেইল পাঠাতে পারে। যেকোনো ওয়েবসাইটে সে ঢুকতে পারে। হার্ডওয়্যার সম্পর্কেও তার ভালো জ্ঞান রয়েছে। পাশাপাশি এমএস ওয়ার্ড, উইন্ডোজ এক্সপি, পাওয়ার পয়েন্ট, এ্যাঙ্গাল এবং ফটোশপ-এর তার চমৎকার কমান্ড রয়েছে।“
পরবর্তীকালে পাবলিশড হওয়া বিভিন্ন নিউজপেপারে দেখা যায়—২০১২ সালের ২৫ শে নভেম্বর রিপ্লিজ বিলিভ ইট অর নট তাদের ওয়েবসাইটে সব চেয়ে কম বয়সী প্রোগ্রামার হিসেবে রুপকথাকে স্বীকৃতি দেয় ।(সাংবাদিকদের কাছে রুপকথার মা এমনটাই দাবি করেছেন )
রূপকথাকে নিয়ে মিডিয়া ক্রেজ এতটাই বেড়ে যায় যে ২০১৩ সালে নতুন সিলেবাসের আন্ডারে ক্লাস এইট এর ইংলিশ ফর টুডে বইটির ৮০ নাম্বার পৃষ্ঠায় রুপকথাকে নিয়ে একটি আর্টিকেল স্থান পায় । (নিচের ২ নাম্বার ছবি দেখুন)
বই এর আর্টিকেলটা লেখা হয়েছে মূলত ডেইলি স্টার থেকে নিউজ সংগ্রহ করে ।
বলা হয়েছে—প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি করার পরে দেখা গেল,রপকথা তার সমবয়সীদের চেয়ে অনেক বেশি মেধাবী ।তাই তার বাবা মা স্কুল বাদ দিয়ে তাকে বাসায় রেখেই লেখাপড়া করানো শুরু করল ।
রুপকথার ইংরেজি ভাষাজ্ঞান এখনো খুব সীমিত ।বাংলাতে মোটামুটি কথাবার্তা বলতে পারে । বিবিসির সাংবাদিককে রুপকথা বলে, my ambition is to be a computer expert at a big compuer firm in the future ( বাংলায় ও আসলে কি বলেছিল, জানা যায় নি )
এই আর্টিকেলে দাবি করা হয়েছে, রুপকথা তার সমবয়সীদের সাথে নিয়মিত খেলাধুলা করে ।সে গান শুনতেও পছন্দ করে ।
রুপকথার মা আশা করেন, সব চেয়ে কম বয়সী প্রোগ্রামার হিসেবে গিনেজ বুকে রুপকথার নাম উঠবে । গিনেজ বুক অথরিটির সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, আমরা এই ক্যাটাগরির কোনো রেকর্ড রাখিনা । তবে রুপকথার মা আমাদের কাছে প্রস্তাব দিলে আমরা নতুন ক্যাটাগরি খুলতে পারি ‘’
বাংলাদেশ সরকারের কানেও চলে যায় রূপকথার বিরল প্রতিভার কথা ।।
বিস্ময়কর কম্পিউটার প্রতিভার জন্য সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্ভাবন তহবিল থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদান পায় রূপকথা। এর আওতায় মুক্তিযুদ্ধকে বিষয় করে গেম বানাতে হবে রূপকথাকে। প্রথম কিস্তি হিসেবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের দ্বিতীয় রাউন্ডে পেয়েছে পাঁচ লাখ টাকার অনুদান। রূপকথাকে অনুদান দেওয়ার কারণ হিসেবে অনুদান কমিটি উল্লেখ করেছে, মাত্র ছয় বছর বয়সে পৃথিবীর সর্বকনিষ্ঠ কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে রিপ্লিস বিলিভ ইট অর নটে স্থান করে নিয়েছে রূপকথা। তাকে আরও বেশি উৎসাহিত করা উচিত।
২০১৫ সালের আগস্ট মাসের ২ তারিখে প্রিয় ডট কমে রূপকথাকে নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বের হয় ।এটি লিখেছেন সাইদ ইসলাম ।প্রতিবেদন টি যদিও দীর্ঘ , তবুও আমি এটি পুরোটাই কোট করছি ।

আমাকে দেখেই অস্পষ্ট ভাষায় চেঁচিয়ে ধমক দিয়ে বলল, \”ঐ কুত্তার বাচ্চা, শুয়োর এইকান তেকে যা\”।
আমি চমকে যাই। একটি ৭/৮ বছরের শিশুর এমন আচরণে আমি অভ্যস্ত নই। আগে কখনও এমন পরিস্থিতিতে পড়িনি। আমি হতভম্ব ও অপ্রস্তুত হয়ে পড়ি। আমাকে স্বাভাবিক করতে ওর মা বলল, কাজের মাঝে বিরক্তবোধ হলে ও ভীষণ রেগে যায়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ ধরনের ভাষা ও শিখল কোথা থেকে? সে বলল, পাশের বাড়ির মহিলা সব সময় তার স্বামীকে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে গালাগালি করে, সেখান থেকে ও এগুলো শিখেছে।
শিশুটির নাম রূপকথা। চার বছর বয়স থেকে কম্পিউটারে সে পারদর্শী। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, অ্যাক্সেস , গেম তৈরি, এমন অনেক কিছুতে দখলের পাশাপাশি C, C++, Python ধরণের বেশ কিছু হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজেও সে পারদর্শী।
শিশু বয়েসে রূপকথার কম্পিউটারে পারদর্শিতার বিষয়টি আমি প্রথম জানতে পারি এক পত্রিকার সাংবাদিকের কাছ থেকে। আমি প্রযুক্তি প্রেমী, কম্পিউটার প্রযুক্তি আমার নেশা, তাই বিষয়টি জানা মাত্রই গুগল ইউটিউবে তাকে নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করি। ফেসবুক এর মাধ্যমে ওর মায়ের সাথে যোগাযোগ করে রূপকথা ও তার কাজ দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করি। প্রথম দফায় তার সাথে দেখা করার সুযোগটা না হলেও প্রায় পাঁচ ছয় মাস পর সুযোগটি হয়। তাদের বাসায় গিয়ে রূপকথা ও তার কাজ দেখার সুযোগ।
মাঝের এই পাঁচ ছয় মাসের মধ্যে শিশুটি ও তার কাজ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানার সুযোগ হয় আমার, এক পর্যায় আমাকে বেশ দ্বিধায় পড়তে হয়। তার বিষয়টি ফেলেও দিতে পারছি না আবার একই সাথে মেনেও নিতে পারছি না, এমন এক দ্বিধা। এই দ্বিধা কাটাতে আমি এক ধরনের প্রস্তুতি নিই, যেটা শুধু আমিই জানবো। যেদিন আমি তাদের বাসায় যাব, সেদিন আমি সেটা প্রয়োগ করব, রূপকথা ও তার মা সেটা টের পাবে না।
আমি তাদের বাসায় যাই, খুব সতর্কের সাথে রূপকথার কিছু কাজ দেখি, তার আচার আচরণ খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করি। বেশি জানা ব্যক্তির কাছে এক শ্রেণির মানুষ খোলামেলাভাবে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। \”আমি রূপকথার থেকে কম জানি\” এমন একটি বিশ্বাস তাদের মাঝে তৈরি করি, বিশেষ করে ওর মায়ের কাছে।
গত বছরে আমার পর্যবেক্ষণ থেকে রূপকথা বিষয়ক বিশেষ কিছু তথ্য। রূপকথা-
– লিখতে পারে না
– পড়তে পারে না
– কোন অংক পারে না
– কলম ধরা শেখেনি
– কোন ধরনের খেলাধুলা পারে না
– ঘুম ছাড়া দিনের বাকি সময়টি সে কম্পিউটার নিয়ে পড়ে থাকে
– C ল্যাংগুয়েজ দিয়ে \”ক খ গ\” ধরণের \”Hello World\” প্রোগ্রামটি কম্পাইল করতে পারেনি (অন্যান্যগুলো যাচাই করতে ইচ্ছে হয়নি আমার)
– এর ধারনা আইনস্টাইনের থিওরি ভুল (ওর মা এর কাছ থেকে শোনা)
– টেক্সট ফাইল এর টেক্সট দেখে কিবোর্ডে না তাকিয়ে হুবুহু টাইপ করতে পারলেও কোন অক্ষর সে পড়তে পারে না।
– তার ভাষা খুবই অস্পষ্ট, আমি তার কোন কথাই ঠিক মত বুঝতে পারেনি
– সে নগ্ন থাকতে পছন্দ করে। দ্বিতীয়বার তার রুমে ঢুকে তাকে পুরো নগ্ন দেখতে পাই
– তার আচরণ অস্বাভাবিক
রূপকথার মা এর সম্পর্কে কিছু তথ্য:
রূপকথার মা কম্পিউটারে গেইম খেলতে খুব পছন্দ করেন। তিনি এলিয়েনে বিশ্বাসী। তার ধারণা, কোন এক এলিয়েন রূপকথার মাথায় এক ধরনের চিপ বসিয়ে দিয়েছে, তা না হলে শিশুটির পক্ষে এত কিছু জানা সম্ভব নয়। সে তাকে কোন স্কুলে দিতে রাজি নয়, তার বিশ্বাস রূপকথাকে পড়ানোর মত কোন স্কুল নেই এবং স্কুলে যা শেখাবে, রূপকথা সেগুলোর সবই জানে। তার বিশ্বাস একজন বিএসসি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার থেকে রূপকথা বেশি জানে। রূপকথার চাকরি চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু একটা সমস্যা হচ্ছে। এটার সমাধান তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। সমস্যাটি হল, চাকরির অ্যাপলিকেশন ফর্মে সই লাগে, কিন্তু রূপকথা সই তো দূরের কথা, সে কলমই ধরতে পারে না।
ওদের বাসা থেকে বিদায় নেবার সময় আরেকবারের মত রূপকথার মা\’কে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করলাম, বললাম, এখনও সময় আছে, আপনি ভুল করছেন, ওকে ভাল একটা ডাক্তার দেখান, ওকে স্কুলে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। আপনি হয়ত নিজের অজান্তেই শিশুটির জীবন নষ্ট করছেন। তিনি মুচকি হাসলেন।
প্রিয় মিডিয়া, না জেনে, না বুঝে \”অমুক গ্রামের অমুকের বাতাস আর পানি দিয়ে বিদ্যুৎ আবিষ্কার\” এর মত খবর ছড়িয়ে নিজেকে নির্বোধের পরিচয় দেয়া থেকে দূরে থাকুন। যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই বা সীমিত সে বিষয়ে আপনার চমকিত হবার কোন কারণ নেই। আমার এই লেখায় কেউ আহত হয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। লেখাটা আমি এক ধরনের দুঃখবোধ নিয়ে লিখেছি, কাউকে ছোট বা আহত করার উদ্দেশ্যে নয়!
সম্পাদকের মন্তব্য: রূপকথাকে নিয়ে প্রকাশিত এই ব্লগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তার বাবা ওয়াসিম। তিনি প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, \”জনাব সাঈদ ইসলাম কখনই আমাদের বাসায় আসেননি। তাই তিনি কিভাবে রূপকথাকে নিয়ে লেখাটি লিখেছেন তা আমার জানা নেই। লেখাটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক, বানোয়াট, মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।\” লেখাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।
http://tech.priyo.com/…/29180-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E…
এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরে রূপকথার পরিবার থেকে বেশ কিছু প্রতিবাদ পাঠানো হয় মিডিয়ায় ।
২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোতে রূপকথাকে নিয়ে আরেকটি রিপোর্ট ছাপা হয় । এখানে রূপকথার একটি ভিডিওও দেখা যায় । ভিডিওতে দেখা যায় সে কম্পিউটারে কিছু একটা টাইপ করতেছে , জটিল কোনো প্রোগ্রাম না সেটা ।(http://www.prothom-alo.com/…/article/630754/এখন-গেম-বানাচ্ছ…)
রুপকথার ফেসবুক একাউন্ট এইটা https://www.facebook.com/wasikfarhan.roopkotha/about
এই একাউন্টে ঢুকে আপনি আশাহত হবেন । রূপকথা তার বিভিন্ন গেমস এর স্কোর আপডেট করে মাঝে মাঝে, আর কিছুই করেনা । তবে মজার মজার কিছু ছবি পাবেন । যেমন নিচের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, রূপকথা এক সাথে ৩ টা কম্পিউটার নিয়ে বসে আছে ।যেটা শো অফ ছাড়া অন্য কোনো কিছু বলে মনে হচ্ছেনা
রুপকথার মা এর একাউন্ট https://www.facebook.com/cynthia.farheen এবং রুপকথার বাবার একাউন্ট https://www.facebook.com/washim.farhan.7 । একাধিকবার বিভিন্ন একাউন্ট থেকেই আমি ফর্মালি/ইনফর্মালি রুপকথার হাইপটা চ্যালেঞ্জ করেছি এদের বাবা মা এর কাছে ।দেখা করতে চেয়েছি রুপকথার সাথে । কেউ আমার মেসেজ/মেইল এর রিপ্লাই দেয়নি
ইংরেজিতে চাইল্ড প্রডিজি নামে একটা শব্দ আছে । কম বয়সী যে সব বাচ্চা জন্মগত বিরল প্রতিভা নিয়ে জন্মায় , এবং এডাল্ট মানুষদের সমান কিংবা তার চেয়েও ভাল কাজ করতে পারে, তাদেরকে চাইল্ড প্রডিজি বলে । বিশ্বের অনেক বিখ্যাত মানুষ প্রডিজি ছিলেন । সঙ্গীতশিল্পী মোজার্ট ৩ বছর বয়স থেকেই মিউজিক কম্পোজ করা শুরু করেন । ক্রিকেটের এ বি ডি ভিলিয়ারস এইরকম একজন প্রডিজি ছিলেন ।বিখ্যাত প্রডিজিদের সবার কথা জানতে চাইলে এইটা দেখুন https://en.wikipedia.org/wiki/Child_prodigy
কে কম্পিউটারে কেমন দক্ষ সেটা নির্ধারন করার জন্য অনেক ধরনের প্রফেশনাল উপায় আছে । যেমন- Microsoft Certified Professional নামে একটা এওয়ার্ড আছে,যেটা কম্পিউটারে দক্ষ বাচ্চাদের দিয়ে থাকে মাইক্রোসফট কোম্পানি ।বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সে Microsoft Certified Professional অর্জন করেছে আয়ান কুরেশি নামে ৫ বছর ১১ মাসের এক বাচ্চা https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_child_prodigies
প্রোগ্রামিং এর দক্ষতা নির্নয়ের জন্যও অনেক ধরনের প্রতিযোগিতা হয় । আমাদের দেশের প্রায় সব ইউনিভার্সিটিই ICPC (international collegiate programming competition) পার্টিসিপেট করে ।এই প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করে কলেজ+ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্টরা ।২০১৩ সালে ভারতের আই আই টি কানপুরের ট্রোজানহর্স নামে একটা টিম রিজিওনাল প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থান লাভ করে ।এই টিমে ছিল অক্ষয় আগরওয়াল আর চিরাগ গুপ্ত নামে ২ জন ইন্টার ফার্স্ট ইয়ার স্টুডেন্ট ।
এই ধরনের আরেকটা প্রতিযোগিতা হচ্ছে IOI (International Olympiad of Informatics ) . ২০০৯ সালে হেনেন্দজি নামে ১১ বছরের এক ছেলে রিজিওনাল পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ।
এইটা ছাড়াও আরো অনেক প্রতিযোগিতা আছে,যেখানে বয়স বা লেখাপড়া কোনো ব্যারিয়ার না ।শিশু –বুড়ো যে কেউ অংশ নিতে পারে ।এই ধরনের একটা কম্পিটিশন হল google code jam . ২০১৪ সালে গুগল কোড জ্যামের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন বেলারুশের জেয়নাতি করতকেভিচ ।তার জন্ম ১৯৯৪ সালে । ১১ বছর বয়স থেকেই স্পোর্টস সফট ওয়ার বানাচ্ছেন (https://en.wikipedia.org/wiki/Gennady_Korotkevich)।
সিঙ্গাপুরের লিম ডিং ওয়েন ৯ বছর বয়সে আইফোনের এ্যাপ বানিয়েছিলেন (https://en.wikipedia.org/wiki/Lim_Ding_Wen)
২০০২ সালে ইউক্রেনের সের্গেই কারজাকিন দাবার গ্রান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন (https://en.wikipedia.org/wiki/Sergey_Karjakin)
খুজলে এইরকম আরো অনেক চাইল্ড প্রডিজির উদাহরন পাওয়া যাবে
রুপকথা এইরকম কোনো প্রফেশনাল/এমেচার কম্পিটিশনে কোনোদিন পার্টিসিপেট করেনি ।ঘরে বসেও সে কোনো এন্ড্রয়েড এ্যাপ বানিয়ে বাজারে ছাড়েনি ।তার মা দাবি করে-রূপকথা কয়েকটা ভিডিও গেম বানিয়েছে, তবে সেগুলো সে একা একাই খেলে সম্ভবত,অন্য কেউ রুপকথার বানানো ভিডিও গেমের কথা শোনেনি
উপসংহার
রুপকথা কোনো চাইল্ড প্রডিজি না । রূপকথা কোনো অটিস্টিক শিশুও না । একসম স্বাভাবিক একটা শিশু ।পারিবারিক কারনে হয়তো ওকে অন্যভাবে ট্রিট করা হচ্ছে । এটা রূপকথার জন্য ক্ষতিকর হবে ।
তবে ব্যক্তগতভাবে রূপকথার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ/ঘৃনার কোনো কারন নেই । রূপকথার বাবা-মা কে বুঝাতে হবে ।সব দোষ ওদের ।
মিডিয়ায় রূপকথার ‘বিরল প্রতিভা’ নিয়ে অপপ্রচার বন্ধ য়া উচিত ।ঘন্টার পর ঘন্টা একটানা গেম খেলা ছাড়া আপাতত ওর আর কোনো প্রতিভা দেখা যাচ্ছেনা ।ইউটিউবে রূপকথার তথাকথিত প্রোগ্রামিং এর অনেক ভিডিও পাবেন ।ম্যাক্সিমাম ভিডিওতেই দেখা যায় ও গেম খেলতেছে বা দেখে দেখে টাইপ করতেছে ।সেই ভিডিও গুলাতেও আবার রূপকথার কম্পিউটারের মনিটরে ক্যামেরা ফোকাস করে কম । রূপকথা এন্ড ওর মা’র মুখই দেখায় বেশি ।এই ভিডিওটায় ও যে কি করতেছে ঠিক বুঝলাম না ।(https://www.youtube.com/watch?v=89odqfWNT80)
তবে পরিচিত কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ইন্টারফেস বলে মনে হলনা ।কেউ বুঝতে পারলে জানাবেন
আর ,খুব দ্রুত ক্লাস এইট এর বই থেকে রুপকথাকে নিয়ে ভুল আর্টিকেলটা সরিয়ে ফেলা উচিত
নিচের প্রথম ছবিটা রূপকথার ফেসবুক একাউন্ট থেকে নেওয়া । ২ নাম্বার ছবিটা ক্লাস এইটের ইংরেজি বই এর ৮০ নাম্বার পৃষ্ঠা

images TrickLover.Com
Report

About Author (73)

Administrator

★আমাদের সাইটটিতে শুরু হবে দারুন এক টিউনার কম্পিটিশন অনুষ্ঠান!এবং বিজয়ীদের জন্য রয়েছে অসাধারণ সব পুরস্কার। ★১ম পুরস্কার ১৫০০টাকা। ★২য় পুরস্কার ১০০০টাকা। ★৩য় পুরস্কার ৫০০ টাকা। ★ আরো রয়েছে ১০০ টাকা মোবাইল রির্চাজ সহ নানা পুরস্কার। পুরস্কার পেতে এখনি www.tricklover.com এsing up করে post করা শুরু করুন! /// টাকা বিকাশে দেওয়া হবে। /// Email: admin@tricklover.com

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts

My Web Page

Hello everybody!

Translate this page:

You can translate the content of this page by selecting a language in the select box.